প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: আটক শিক্ষককে সসম্মানে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ তারেক রহমানের

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে শ্রেণিকক্ষে এক স্কুলশিক্ষকের কটূক্তি ও আপত্তিকর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশ ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনার বিষয়টি জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংক্ষুব্ধ হন। তবে শিক্ষককে আটক রাখার পরিবর্তে তাঁকে সসম্মানে ছেড়ে দিয়ে নিরাপদে তাঁর বাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর পুলিশ ওই শিক্ষককে নিরাপদে তাঁর বাসায় পৌঁছে দেয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন তাঁর ফেসবুক পোস্টে এসব তথ্য জানান।
মাহ্দী আমিনের পোস্ট অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, মানুষের মধ্যে মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে। প্রত্যেক ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গি ও মতামত তাঁর নিজস্ব। কারও মতের সঙ্গে একমত না হলেও তাঁর মতপ্রকাশের অধিকারকে সম্মান করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি সম্মানই গণতন্ত্রের শক্তি। ইতিবাচক আচরণ, পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি সমাজকে আরও শক্তিশালী করবে বলে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন।
ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে উত্তেজনা তৈরি হলেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষককে নিরাপদে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিষয়টির তাৎক্ষণিক সমাপ্তি ঘটে।

Pingback: ‘যা করিনি, তার প্রমাণ কীভাবে দেব?’—শিবির থেকে বহিষ্কারের দাবি নিয়ে সালাউদ্দিন আম্মার