‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতেই এগোচ্ছে দেশ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান সার্বভৌমত্বের প্রতিফলন: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যাশা ছিল, যেখানে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং পররাষ্ট্রনীতিতে কোনো ধরনের নতজানু অবস্থানের স্থান থাকবে না।
বুধবার (৬ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ব্যাংক খাতের এক-তৃতীয়াংশ অর্থ লোপাট, ২ কোটি আমানতকারী বিপাকে: গভর্নর
মাহদী আমিন লিখেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমতা, ন্যায্যতা এবং জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্বপরিসরে বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও মর্যাদাবান রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই ছিল সেই আকাঙ্ক্ষার মূল লক্ষ্য।
সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লিতে অবস্থানরত পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন, এ ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, তা দেশের সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষার প্রতিফলন।
তিনি দাবি করেন, এই অবস্থান প্রমাণ করে যে বর্তমান সরকার জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও বাংলাদেশের মর্যাদা ও স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
পড়ুন: একজন মানুষ (শেখ হাসিনা) কত নির্লজ্জ/বেহায়া হলে তার সকল কৃত কর্মকে অস্বীকার
পোস্টে মাহদী আমিন আরও উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সার্বভৌমত্বভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার ধারাবাহিকতা অনুসরণ করেই বর্তমান সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। তার মতে, প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে ভিত্তি করে দেশ স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানের দিকে এগোচ্ছে।
তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিচালিত পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করবে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।
