লোডশেডিং কবে শেষ হবে? যা জানালেন ডা. জাহেদ উর রহমান

গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলে দেশে বর্তমানে যে বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিং চলছে, তা আর থাকবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশের বিদ্যুৎ সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ গ্যাসের সংকট। গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলে লোডশেডিংয়ের বর্তমান অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও দেশে লোডশেডিং ছিল। তবে সে সময় রাজধানী ঢাকায় খুব একটা লোডশেডিং দেওয়া হয়নি।
ঢাকায় লোডশেডিং না থাকার পেছনে রাজধানীবাসীর সামাজিক প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ঢাকার মানুষের ‘ভয়েস’ তুলনামূলকভাবে বেশি এবং তাদের সামাজিক পুঁজিও বেশি। ফলে ঢাকার মানুষ দীর্ঘদিন লোডশেডিংয়ের অভিজ্ঞতা না পাওয়ায় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে তাদের মধ্যে ভিন্ন ধরনের ধারণা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ পেলেন দুই স্থায়ী সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব
রাজধানীকে পুরোপুরি লোডশেডিংমুক্ত রাখার ধারণা থেকে বেরিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ঢাকা দেশের সবচেয়ে বড় শহর এবং এখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি হওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে রাজধানী কিছুটা অগ্রাধিকার পেতে পারে। তবে ঢাকাকে সম্পূর্ণভাবে লোডশেডিংমুক্ত রাখার নীতি থাকা উচিত নয়।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ঢাকার বাসিন্দাদেরও কিছুটা বিদ্যুৎ সংকট মেনে নিতে হবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব বিবেচনায় রাজধানী অগ্রাধিকার পেতে পারে, কিন্তু ঢাকায় কোনো লোডশেডিং হবে না—এমন ধারণা থেকে সরে আসা দরকার। এ কারণেই বর্তমানে রাজধানীতেও কিছুটা লোডশেডিং হচ্ছে।
