প্রতারণা মামলায় বিদিশার জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর আদেশ

The current image has no alternative text. The file name is: Web-Image-7-1-scaled.png

রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা প্রতারণা মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালত এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ গোলাম মুর্তুজা ইবনে ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে বিদিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন জানান, ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দায়ের করা একটি প্রতারণা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, মোশাররফ হোসেন বারিধারা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট কেনার জন্য খোঁজ করছিলেন। এ সময় তথ্যের ভিত্তিতে বিদিশা ২০০১ সালের ১ জুলাই তাকে প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট দেখান এবং সেটি বিক্রির প্রস্তাব দেন।

পরে ফ্ল্যাটটি ৮০ লাখ টাকায় বিক্রির বিষয়ে চুক্তি হয়। অভিযোগে বলা হয়, ওই বছরের ১০ জুলাই মোশাররফ হোসেনকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে বিদিশা তার মনোনীত ব্যক্তি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন।

মোশাররফ হোসেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ পরিশোধ করেন। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে বায়নানামাও সম্পাদিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদন নেওয়ার পর বাকি অর্থ পরিশোধ করে ফ্ল্যাটটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল। একই সঙ্গে ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

তবে নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন বাদী। পরে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হলে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বিদিশার পক্ষ থেকে ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় তা প্রত্যাখ্যাত হয় বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *