এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে শতভাগ পাস ৬৬৯ প্রতিষ্ঠানে, শতভাগ ফেল ৩১২টিতে

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হয়েছে।
অন্যদিকে, দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থীই ফেল করেছে।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের মোট ৩০ হাজার ৪০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এর মধ্যে ৬৬৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের সাফল্য এসেছে। বিপরীতে ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।
তবে গত বছরের তুলনায় এবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৫ সালে দেশের ৯৮৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ৩১৫টি।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪টি। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১২টিতে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৭৮টি।
এদিকে, চলতি বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে এবার গড় পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও এবার কমেছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।
সে হিসাবে, গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
ফলাফলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এবার একদিকে গড় পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে, অন্যদিকে শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। ফলে সামগ্রিক ফলাফলে গত বছরের তুলনায় নেতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
