ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ায় আদানির বিদ্যুৎ বন্ধ: রুহুল কবির রিজভী

The current image has no alternative text. The file name is: Rezvi-00987-1-scaled.png

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানোর পরদিন আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ দাবি করেন।

রিজভী বলেন, ব্রিকস সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তাঁর ভাষ্য, একটি স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যথাযথ মর্যাদা না থাকায় তিনি সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে রিজভী দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানানোর পরপরই কারিগরি ত্রুটির কথা বলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির একটি ইউনিট বন্ধের ঘোষণা আসে। তাঁর মতে, ঘটনাগুলোর সময়ের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ভারতে অবস্থানরত আসামিদের ফেরত দেওয়ার বিষয়েও বক্তব্য দেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, আদালতের পরোয়ানা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বারবার তাগাদা দেওয়া হলেও গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতে অবস্থানরত আসামিদের হস্তান্তর করা হচ্ছে না। বিষয়টিকে তিনি একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক চক্রান্তের অংশ বলে দাবি করেন।

দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় বর্তমান সরকারের অধীনে বাকস্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত হয়েছে বলেও দাবি করেন রিজভী। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী দল সরকারের সমালোচনা করার সুযোগ পাচ্ছে এবং দেশে জুলুম বা গুমের মতো ঘটনা ঘটছে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের ঐতিহ্য নিয়েও কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। তিনি মধু দার স্মৃতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ ঐতিহ্য নষ্ট করার কোনো উদ্যোগ ছাত্র-জনতা মেনে নেবে না।

সমাবেশে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *